>
আমাদের এই বাংলাদেশ নামক দেশটি স্বাধীন হওয়ার ইতিহাস
আমাদের বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়া পেছনে রয়েছে প্রজম্ম প্রজম্ম ইতিহাস। বাংলাদেশর স্বাধীনতা আন্দোলনে তথা মুক্তিযদ্ধের রয়েছে একটি ঐতিহাসিক পটভূমি। ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দের ২৭ জুন ষড়যন্ত্রমূলক যুদ্ধে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ্-দৌলা ইংরেজদের হাতে পরাজিত হন। সেদিন থেকে বাংলার আকাশে স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়। শুরু হয় ইংরেজদের ঔপনিবেশিক শাসন। দু’শ বছর ধরে চলতে থাকে ইংরেজদের শোষণ আর নির্যাতন। শাসন-শোষণ, লাঞ্চনা আর নিপীড়নে যাতাঁকলে পিষ্ট হয়ে বাঙালি জাতির মনের কোণে জ্ম্ম
নিয়েছিল বিক্ষোভ, আন্দোলোন আর সংগ্রামের চেতনা। এরফলে ১৯৪৭ সালে স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের একাংশরূপে জম্ম নেয় পূর্ব পাকিস্তান। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, নামে স্বাদীন হলেও প্রকৃত স্বাধীনতার সুফল আমরা ভোগ করতে পারিনি। সেই একই ভাবে পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর রাষ্ট্রের শাসনযন্ত্র নিজেদের করায়াত্তে রেখে ঔপনিকেশিক শাসকদের মতই শোষণের আর এক নতুন আর এক নতুন ইতিহাস রচনা করে। বৈষম্যের নীতি বিস্তার করে তারা এদেশের মানুষকে শিক্ষা-দীক্ষা, অর্থনৈতিক উন্নয়ণ,</p> <p>সামাজিক মর্যদা সকল ক্ষেত্রে চরম অবহেলা করে। তারা আমাদের প্রাণের ভাষা কেড়ে নিয়ে নিজেদের ভাষা ‘উর্দু’ আমদের উপর চাপিয়ে দিতে চায়। ১৯৫২ সালেরে একুশে ফেব্রুয়ারি আন্দোলোনের অগ্রযাত্রার আর এক নতুন মাইল ফলক। এ আন্দোলোনে রফিক, শফিক, জব্বার, বরকত সহ আরো নামনাজা আনেক বাংলার দামাল ছেলেরা শহীদ হন। এভাবে শোষণ আর নির্যতনের স্টীমরোল চালাতে থাকলে বাঙালির মনে অপমান তীব্র আকার ধারণ করে। ফলে সংঘটিত হয় ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুখান। ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে বঙ্গবদ্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু বাঙালিদের হাতে ক্ষমতা দিতে পাকিস্তানিরা টালবাহানা শুরু কর। তারপর ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের রাতে সংঘটিত হয় ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাযজ্ঞ। এতে বাঙারি জাতির ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যায় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে স্বাধীনতার ডাক দেন,--
“এবারে সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারে আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।”
আমাদের এই বাংলাদেশ নামক দেশটি স্বাধীন হওয়ার ইতিহাস
আমাদের বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়া পেছনে রয়েছে প্রজম্ম প্রজম্ম ইতিহাস। বাংলাদেশর স্বাধীনতা আন্দোলনে তথা মুক্তিযদ্ধের রয়েছে একটি ঐতিহাসিক পটভূমি। ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দের ২৭ জুন ষড়যন্ত্রমূলক যুদ্ধে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ্-দৌলা ইংরেজদের হাতে পরাজিত হন। সেদিন থেকে বাংলার আকাশে স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়। শুরু হয় ইংরেজদের ঔপনিবেশিক শাসন। দু’শ বছর ধরে চলতে থাকে ইংরেজদের শোষণ আর নির্যাতন। শাসন-শোষণ, লাঞ্চনা আর নিপীড়নে যাতাঁকলে পিষ্ট হয়ে বাঙালি জাতির মনের কোণে জ্ম্ম
নিয়েছিল বিক্ষোভ, আন্দোলোন আর সংগ্রামের চেতনা। এরফলে ১৯৪৭ সালে স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের একাংশরূপে জম্ম নেয় পূর্ব পাকিস্তান। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, নামে স্বাদীন হলেও প্রকৃত স্বাধীনতার সুফল আমরা ভোগ করতে পারিনি। সেই একই ভাবে পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর রাষ্ট্রের শাসনযন্ত্র নিজেদের করায়াত্তে রেখে ঔপনিকেশিক শাসকদের মতই শোষণের আর এক নতুন আর এক নতুন ইতিহাস রচনা করে। বৈষম্যের নীতি বিস্তার করে তারা এদেশের মানুষকে শিক্ষা-দীক্ষা, অর্থনৈতিক উন্নয়ণ,</p> <p>সামাজিক মর্যদা সকল ক্ষেত্রে চরম অবহেলা করে। তারা আমাদের প্রাণের ভাষা কেড়ে নিয়ে নিজেদের ভাষা ‘উর্দু’ আমদের উপর চাপিয়ে দিতে চায়। ১৯৫২ সালেরে একুশে ফেব্রুয়ারি আন্দোলোনের অগ্রযাত্রার আর এক নতুন মাইল ফলক। এ আন্দোলোনে রফিক, শফিক, জব্বার, বরকত সহ আরো নামনাজা আনেক বাংলার দামাল ছেলেরা শহীদ হন। এভাবে শোষণ আর নির্যতনের স্টীমরোল চালাতে থাকলে বাঙালির মনে অপমান তীব্র আকার ধারণ করে। ফলে সংঘটিত হয় ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুখান। ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে বঙ্গবদ্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু বাঙালিদের হাতে ক্ষমতা দিতে পাকিস্তানিরা টালবাহানা শুরু কর। তারপর ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের রাতে সংঘটিত হয় ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাযজ্ঞ। এতে বাঙারি জাতির ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যায় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে স্বাধীনতার ডাক দেন,--
“এবারে সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারে আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।”

No comments:
Post a Comment